শাতিল আরব নামেও পরিচিত এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১২০ মাইল)। দক্ষিণ ইরাক-এর বাসরা গভর্নরেট এর আল-কুরনা শহরে ফোরাত এবং দজলা-এর সঙ্গমে এই নদীটি গঠিত হয়েছে। নদীর দক্ষিণ প্রান্তটি ইরাক ও ইরান-এর মাঝে সীমানা গঠন ক'রে পারস্য উপসাগর-এ গিয়ে মিশেছে। বসরায় এর প্রস্থ প্রায় ২৩২ মিটার (৭৬১ ফুট) এবং মুখের দিকে তা বেড়ে হয়েছে ৮০০ মিটার (২,৬০০ ফুট) পর্যন্ত। ধারণা করা হয়, এর জলধারাটি তুলনায় সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক সময়ে তৈরি হয়েছিল। সে সময়, মূলত পশ্চিমে আরও একটি চ্যানেল তৈরী হয়েছিল এবং তার মাধ্যমেই টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিসের জলধারা, পারস্য উপসাগরে মুক্ত হত।
এই নদীর একটি শাখা হ'ল কারুণ নদী। সেই শাখা নদীটি ইরানের দিকের জলপথের সাথে মিলিত হয়ে এসে, এই নদীটিতে প্রচুর পরিমাণে পলি জমা করে। সেই কারণে, নদীটিতে চলাচল সচল রাখতে অবিরত ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন হয়।
এই অঞ্চলটিতে বিশ্বের বৃহত্তম খেজুর বন রয়েছে ব'লে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে, এই অঞ্চলে খেজুর গাছ ছিল ১৭ থেকে ১৮ লক্ষ, বিশ্বের ৯০ লক্ষ গাছের এক-পঞ্চমাংশ। কিন্তু ২০০২ সালের মধ্যে, যুদ্ধ, লবণ এবং কীটপতঙ্গের কারণে ইরাক-এ প্রায় ৯ লক্ষ এবং ইরান-এ ৫ লক্ষ, মোট প্রায় ১৪ লক্ষরও বেশি খেজুর গাছ নষ্ট হয়ে যায়। বাকি ৩ থেকে ৪ লক্ষ গাছের মধ্যে অনেকের অবস্থা খুব খারাপ
মধ্য পারসিয়ান সাহিত্য এবং শাহনামে-তে (আনুমানিক ৯৭৭ এবং ১০১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত), আরভান্দ নামটি ব্যবহৃত হয়েছে টাইগ্রিসের জন্য, যার মিলিত ধারা শাতিল আরব। ইরানীরাও এই নামটি বিশেষত পরের পহ্লভি আমল-এ শাতিল আরবকে ব্যবহারের জন্য মনোনীত করেছিল এবং ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লব-এর পরেও তা অব্যাহত ছিল।
- শাত-ইল-আরব - বিবাদমান নদী দোজলা ও ফোরাত এর মিলিত প্রবাহ। ১৯৮০-৮৮ ইরাক-ইরান যুদ্ধ হয়।
ইরান-ইরাক যুদ্ধ
সময়কাল : ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০- ২০ আগস্ট ১৯৮৮
প্রেক্ষাপট : শাত-ইল-আরবের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য ইরাক ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ ইরান আক্রমণ করে। এভাবে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনা হয়।
যুদ্ধবিরতি :
- প্রেসিডেন্ট মরহুম শহীদ জিয়াউর রহমান ইরাক ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন ।
- জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুদ্ধ বন্ধ হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more